মেনু নির্বাচন করুন

ছবি
শিরোনাম
রাস্তার পাশে উপকারী ঔষুধী গাছ,
বিস্তারিত

*আমাদের কেরোয়া ইউনিয়নের বিতরে এই রাস্তার পাশে অনেক উপকারী ঔষধী গাছ  আছে, যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী।এই রাস্তাটি কেরোয়া ইউনিয়নের শেষ ও পোরসভার শেষ সিমানায়। রাস্তার দুই পাশে সারী সারী গাছ দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। এই সমস্ত ঔষধী গাছের ছাল পাতা,কান্ড ইত্যাদি প্রতিদিন মানুর এই গাছগুলো থেকে নিয়ে থাকে। এখানের যে সমস্ত ঔষধী গাছ গুলো রয়েছে, ১, নিম গাছ, অর্জুন গাছ, আমলকী, বয়েরা, আকন্দ, লজ্জাবতী গাছ, আরো অনেক উপকারী গাছ।

কৃষকরা পরিত্যক্ত জমি ও বাড়ির আঙিনায় ঔষুধী গাছের চাষ শুরু করেছেন। খরচ কম এবং আয়ুর্বেদিক ঔষধ ও প্রসাধনী কোম্পানীতে এগুলোর চাহিদা বাড়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন ঔষুধী গাছ চাষের দিকে।

ঔষুধী গাছের চাষ করতে খরচ কম লাগায় এবং লাভ অধিক হওয়ায় গারো পাহাড়ের গজনী, রাংটিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের বাড়ির আঙিনায় এখন ঔষুধী গাছের চাষ করা হচ্ছে। গ্রামগুলো ঔষধী গাছের পল্লী হিসেবে গড়ে উঠেছে। এখানে চাষ করা হচ্ছে  ঘৃত কাঞ্চন, কালোমেঘ, শতমুল, তুকমা, বাসক, আমলকী, হরতকী ও বহেরাসহ নানা ধরনের ঔষধী গাছ। বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ঔষধ ও প্রসাধনী কোম্পানী এগুলো কেনায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক। গারো পাহাড়ী এলাকার মাটির নীচে অধিক পরিমানে পাথর থাকায় অনেক স্থানেই সেচের ব্যবস্থা নেই। তাই এসব এলাকায় ইরি-বোরো চাষ করা সম্ভব হয়না। তাই এ এলাকার কৃষকরা সবজীর পাশাপাশি শুরু করেছেন বিভিন্ন ঔষধী গাছের চাষ।
ঔষুধী গাছের চাষাবাদের জন্য এ এলাকার  মাটি খুবই উপযোগী বলে দাবী এখানকার কৃষি বিশেষজ্ঞদের। কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, গারো পাহাড়ী এলাকায় ঔষধী গাছের চাষের এ উজ্জল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে অনেক মানুষেরই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

কৃষকরা পরিত্যক্ত জমি ও বাড়ির আঙিনায় ঔষুধী গাছের চাষ শুরু করেছেন। খরচ কম এবং আয়ুর্বেদিক ঔষধ ও প্রসাধনী কোম্পানীতে এগুলোর চাহিদা বাড়ায় কৃষকরা ঝুঁকছেন ঔষুধী গাছ চাষের দিকে।

ঔষুধী গাছের চাষ করতে খরচ কম লাগায় এবং লাভ অধিক হওয়ায় গারো পাহাড়ের গজনী, রাংটিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামের বাড়ির আঙিনায় এখন ঔষুধী গাছের চাষ করা হচ্ছে। গ্রামগুলো ঔষধী গাছের পল্লী হিসেবে গড়ে উঠেছে। এখানে চাষ করা হচ্ছে  ঘৃত কাঞ্চন, কালোমেঘ, শতমুল, তুকমা, বাসক, আমলকী, হরতকী ও বহেরাসহ নানা ধরনের ঔষধী গাছ। বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ঔষধ ও প্রসাধনী কোম্পানী এগুলো কেনায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক। গারো পাহাড়ী এলাকার মাটির নীচে অধিক পরিমানে পাথর থাকায় অনেক স্থানেই সেচের ব্যবস্থা নেই। তাই এসব এলাকায় ইরি-বোরো চাষ করা সম্ভব হয়না। তাই এ এলাকার কৃষকরা সবজীর পাশাপাশি শুরু করেছেন বিভিন্ন ঔষধী গাছের চাষ।
ঔষুধী গাছের চাষাবাদের জন্য এ এলাকার  মাটি খুবই উপযোগী বলে দাবী এখানকার কৃষি বিশেষজ্ঞদের। কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানান, গারো পাহাড়ী এলাকায় ঔষধী গাছের চাষের এ উজ্জল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে অনেক মানুষেরই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

- See more at: http://independent24.tv/?p=13460#sthash.qk7TR6pS.dpuf